বৃহস্পতিবার  ২৯শে জুন, ২০১৭ ইং  |   বৃহস্পতিবার  ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

যশোরের ৫ উপজেলা পানিবন্ধি মানুষের সংখ্যা বাড়ছেই

আগস্ট ১৮, ২০১৬

যশোর

এ এম রাকিব/যশোর প্রতিনিধি/

জেলার ৫উপজেলায় পানি বাড়ছেই। সেই সাথে বাড়ছে পানি বন্দি মানুষের সংখ্যা। এ সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখেও বেশি ছাড়িয়ে যেতে পারে-এমন আশঙ্খা খোদ জেলা প্রশাসনের। এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে দুপুর থেকে ঝড়ো হাওয়ার সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। পানিবন্ধি মানুষ প্রকৃতির এই পরিস্থিতিকে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ বলছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে অভনগরে ৯৬ গ্রাম (এটি একটি গ্রামের নাম)। এ অঞ্চলের ২৭টি বিলের যেখানে চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। ঘরের ভেতর পানি, বাইরে পানি।

যশোর-কেশবপুর সড়কের মনিরামপুরের চিনেটোলা থেকে কেশবপুর সড়কেরঅধিকাংশ স্থান এখন পানির নিচে-জানান মনিরামপুরের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য। গত ৩ দিনে তেমন বৃষ্টি নানা হলেও জেলার ভবদহ উপদ্রুত অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলায় পানি বাড়ছেও। শার্শা উপজেলার একই অবস্থা। এরসাথে যোগ হয়েছে বাঘারপাড়ার একাংশ। শতাধিক গ্রাম এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। পানিবন্দি হয়েছে কম- বেশি সাত লাখ মানুষ। খেয়ে-না খেয়ে কাটছে দুর্গতদের দিন-রাত। অথচ খবর নিচ্ছে না কেউ। অভিযোগ ভূক্তভোগীদের।

জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর জানান, নতুন নতুন এলাকা যেমন প্লাবিত হচ্ছে- তেমনি আগ থেকে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। তিনি আশঙ্খা থেকে বলেন,এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে পানিবন্ধি মানুষের সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখের উপরে পৌচ্ছাতে পারে। সর্বশেষ তার কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে দেখা গেছে প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা ৫ শ’ ছাড়িয়ে যেতে পারে। জেলা প্রশাশক আরো বলেন, ৫ উপজেলায় ভেসে গেছে শত শত মাছের ঘের আর পুকুর। আমন চাষের ক্ষতির পরিমান নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না হলেও অনুমান করা হচ্ছে কয়েক হাজার হেক্টর।

কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ রায়হান কবীর বলেন, তার উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনয়ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ৪ হাজারেও বেশি ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১৫ হাজার মানুষ। প্রায় ৩৫ কোটি টাকার ফসলের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । মাছের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার মত। এ অবস্থায় দুর্গতদের মাঝে বিতরন করা হয়েছে ১৭ মেট্রিক টন চাল। যা চাহিদার তুলনায় কম।
বৃহস্পতিবার ১৮ই আগস্ট, ২০১৬ ইং