শুক্রবার  ২৭শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং  |   শুক্রবার  ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

নিঁখোজের তালিকায় এবার ফুলবাড়ীর আব্দুল ওয়াদুদ মানিক

জুলাই ২২, ২০১৬

আব্দুল ওয়াদুদ মানিক

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন/

সারাদেশে নিঁখোজদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। সেই কর্মসুচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে নিঁখোজদের সন্ধানে নেমেছে পুলিশ। ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নের নন্দলালপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল ওয়াদুদ মানিক(২০) চার বছর থেকে নিঁখোজ আব্দুল ওয়াদুদ মানিক(২০)।

নিঁখোজ আব্দুল ওয়াদুদ মানিকের পিতা আব্দুল জলিল ফুলবাড়ী থানায় গত বুধবার (২০ জুলাই) একটি নিঁখোজ জিডি করেছেন। যার জিডি নং-৮৯২।

জিডি সূত্র্রে জানা যায়, গত ২০১১ইং সালে এস এস সি পাশ করার পর পারিবারিক কলহের কারণে সে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়ীতে আসেনি এবং পরিবারের সাথে তার কোন যোগাযোগও নাই।

জানা যায়, আব্দুল জলিলের ১ম স্ত্রী নিলুফা বেগম এর গর্ভে আব্দুল ওয়াদুদ মানিক ও রেদওয়াদুল ইসলাম নামে ২ সন্তানের জন্ম হয়। আব্দুল ওয়াদুদ মানিক এর জন্মের পর আব্দুল জলিলের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের অকাল মৃত্যু হয়। এর পর আব্দুল জলিল ২য় বিয়ে করেন। সেই স্ত্রীর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২য় স্ত্রী ঘরে আনার পর সৎ মায়ের সঙ্গে আব্দুল ওয়াদুদ মানিক ও রেদওয়াদুল ইসলামের সম্পর্কের অবনতি হয়। এ কারণেই আব্দুল ওয়াদুদ এস এস সি পাশ করার পর ঘর ছাড়ে। তার অপর ভাই রেদওয়াদুল ইসলাম একটি কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ী চালকের চাকুরী করে। এখন ২য় স্ত্রীসহ বসবাস করেন আব্দুল জলিল।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মকছেদ আলী জানান, পরিবার থেকে নিঁখোজ হওয়া যুবকেরা জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এ কারনে সারাদেশে নিঁখোজদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। সেই কর্মসুচির অংশ হিসেবে ফুলবাড়ীতেও নিঁখোজদের সন্ধান করা হচ্ছে। সেই তল্লাশীর মুখে পড়েন, আব্দুল জলিল। তার ছেলে আব্দুল ওয়াদুদ মানিক দীর্ঘ চার বছর থেকে নিঁখোজ রয়েছে। পুলিশ তার ছেলের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, তার সঙ্গে কোন যোগাযোগ নাই। এ কারণে আবুদল জলিল গত ২০ জুলাই ফুলবাড়ী থানায় একটি নিঁখোজ জিডি দায়ের করেন। ওসি মকছেদ আলী আরও জানান, সারা উপজেলায় ঘর ঘর নিঁখোজদের সন্ধান করা হচ্ছে। এই তালিকা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি/ তারিখঃ ২২ জুলাই, ২০১৬ইং