মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং  |   মঙ্গলবার  ১১ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

নাসিরনগরে ১ স্কুল ছাত্রীকে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরন

আগস্ট ১৩, ২০১৬

অপহরন

এস.এম.বদিউল আশরাফ/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদর থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই স্কুলছাত্রীকে বৃহস্পতিবার রাতে চট্রগ্রামরে পাহাড়তলী থেকে উদ্ধারের পর পরিবারের স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে নিখোঁজ ফাতেমার অভিভাবকদের দাবি একই সাথে নিখোঁজ হওয়া সহপাঠী সুমা দেবনাথ একই গ্রামের বখাটে শামীমের সহায়তায় তার মেয়েকে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান ফতেমার পরিবার।

গত ২৭ মে নাসিরনগরের কুলিকুন্ডা গ্রামের সজিদ মিয়ার মেয়ে ফাতেমা আক্তার প্রতিবেশী রাখাল দেবনাথের মেয়ে সহপাঠী সুমা দেবনাথের সঙ্গে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। কোমল পানির সাথে চেতনা নাশক মিশিয়ে খাইয়ে তাকে সিএনজি অটোরিকশায় করে তুলে নেওয়া হয়। পরে ওই রাতেই তাদের চট্রগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনার পর ফাতেমার পরিবারের পক্ষ থেকে নাসিরনগর থানায় সাধারণ ডায়রী করা হলে ডায়রীর সূত্র ধরেই র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা চট্রগ্রামের পাহাড়তলী থানার আমবাগান এলাকায় অপহরণকারির কবল থেকে দুজনকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে ফাতমো ও তার বাবা সজদি মিয়া, ও মা রোশন আক্তার জানান, সহপাঠী সুমা দেবনাথ ও একই গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে বকাটে শামীম যোগসাজোশ করে পাচারের উদ্দেশ্যে ফাতেমাকে অপহরণ করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুমার মা কমলা দেবনাথ বলেন, উদ্ধারের পর তাকে বাড়িতে আনা হয়নি। তাকে শ্রীমঙ্গলে বোনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সুমা উদ্ধার হয়েছে এটুকুই জানিয়ে তার মা বলেন, এ ব্যাপারে আর কিছুই জানেন না তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুলিকুন্ডা গ্রামের বিশিষ্ট মাতব্বর বলেন, সুনসান নিরব ও শান্তি প্রিয় প্রত্যন্ত গ্রামে এবারই প্রথম এমন ঘটনা ঘটায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের জানান, সুমার সাথে বখাটে শামীমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই ফাতেমা ঘটনার শিকার হন। সুমার সাথে থাকা ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরেই র‌্যাব-৭ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করতে পেরেছ।
নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)সংবাদদাতা/১৩ই আগস্ট, ২০১৬ ইং