বুধবার  ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং  |   বুধবার  ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

ডজিটিাল প্রক্ষোগৃহ নইে চট্টগ্রামে

অক্টোবর ১৩, ২০১৬

ডজিটিাল প্রক্ষোগৃহ

।।সাফাত জামলি শুভ।।

“যখোনে র্দশয়ে বা প্রর্দশয়ে বস্তু বা বষিয় প্রক্ষেণ করা হয়। প্রকৃষ্টরকম অক্ষণ, ভালোভাবে দখো। অক্ষি মানে চোখ, অক্ষণ মানে চোখ দয়িে দখো, অক্ষি প্রয়োগে র্দশন। উত্তমরূপে অক্ষণরে নাম প্রক্ষেণ। প্রক্ষেণরে কাজ যে গৃহে করা হয়, তার নাম ‘প্রক্ষোগৃহ’।

১৯৯০ সালরে পরসিংখ্যান অনুযায়ী, দশেরে ৭৬৭টি প্রক্ষোগৃহরে মধ্যে ৫০টরি বশেি ছলি বৃহত্তর চট্টগ্রাম।েকন্তিু পরতিাপরে বষিয়, র্বতমানে এ অঞ্চলে ৫টি ঠকিমতো চলে কনিা সন্দহে থকেে যায়।

১৯২৭ সালে চট্টগ্রামে প্রথম লায়ন সনিমো হল নর্মিাণরে পর রঙ্গম, সনিমো প্যালসে এবং ষাট দশকরে শষেভাগে প্রথম শীতাতপ নয়িন্ত্রতি আলমাস সনিমো হল চালু হয়। সসেময়রে প্রধান সনিমো হলগুলো ছলি- নূপূর,জলসা,আলমাস,দনিার,উপহার,ঝুমুর,মলেোড,িলায়ন,পূরবী,উজালা,বনানী,সাগরকিা,সানাই,র্কণফুলী,আকাশ,মহল,অলংকার,সংগীত,গুলশান ও রদিম। এছাড়া নৌবাহনিীর সনিমো হল,বন্দররে নভেি হল,পতঙ্গোয় বমিান বাহনিীর নয়িন্ত্রনাধীন শাহীন হল,হালশিহরে বডিআির হল এবং চট্টগ্রাম সনোবাহনিীর গ্যারসিন সনিমো হলে একসময় নয়িমতি চলচ্চত্রি র্প্রদশতি হত।ঐতহ্যিবাহী এই সনিমো হলগুলো দনিে দনিে জৌলুস হারালওে টকিে ছলিো কোনোরকম।

রাজধানী ঢাকায় ইতোমধ্যে আর্ন্তজাতকিমানরে বশে কয়কেটি প্রক্ষোগৃহ নর্মিতি হয়ছে।েঅপরদকিে চরম ক্রান্তকিাল অতক্রিম করছে চট্টগ্রামরে চলচ্চত্রি প্রর্দশন শল্পি। র্বতমান প্রক্ষোপটে বলা চল-ে অশ্লীল ও নম্নিমানরে সনিমো, অনুন্নত ও অস্বাস্থ্যকর পরবিশে,স্যানটিশেন সমস্যা, ভাঙা সটি, নরিাপত্তার অভাব, এনালগ প্রযুক্তি ইত্যাদি কারণে চট্টগ্রামরে প্রক্ষোগৃহগুলো থকেে মুখ ফরিয়িে নয়িছেনে র্দশকরা। ফলস্বরুপ লোকসানরে ভারে এখন চলছে হল ভাঙার প্রতযিোগতিা।

আধুনকি সুবধিা সম্বলতি সনিপ্লেক্সে ও বাংলা চলচ্চত্রি সর্ম্পকে ইতবিাচক ধারণার অভাবইে মূলত চট্টগ্রামরে র্দশকরা প্রক্ষোগৃহবমিুখ। ইদানংিকালে অবশ্য ভন্নিধারার বাংলা চলচ্চত্রি নর্মিান ও প্রচারণার ফলে আগ্রহী হয়ে উঠছে সবাই। কন্তিু চট্টগ্রামে সত্যকিাররে “ডজিটিাল প্রক্ষোগৃহ’ের দখো মলেনেি আজও। নগরীর থয়িটোর ইনষ্টটিউিট মলিনায়তন দয়িে একপ্রকার খুঁড়য়িে খুঁড়য়িে চলছে চলচ্চত্রি প্রর্দশন।

পশোজীবী থকেে শুরু করে শক্ষর্িাথীসহ চট্টগ্রামরে সংস্কৃতপ্রিমেী সকল মানুষরে চাওয়া একটাই- ঢাকার মত বশ্বিমানরে ডজিটিাল প্রক্ষোগৃহ।এক্ষত্রেে উদ্যোগ তথা পদক্ষপে নতিে পারে সরকার,সটিি র্কপোরশেন কংিবা কোন শল্পিপত।ি রাজধানী ঢাকা’র মত বন্দরনগরী চট্টগ্রামওে চলচ্চত্রি শল্পিরে ব্যপক সম্ভাবনা রয়ছেে বলে মনে করনে র্দশকরা।

বৃহস্পতিবার  ১৩ই অক্টোবর, ২০১৬ ইং