বৃহস্পতিবার  ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং  |   বৃহস্পতিবার  ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

গোপালগঞ্জে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট

সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৬

কোরবানী পশুর হাট

।। এম শিমুল খান/গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ।।

ঈদুল আযহা মানে কোরবানী আর এই কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে শেষ সময়ে জমে উঠেছে পশুর হাটগুলো। ঈদের পূর্ব মুহূর্তে খামারে পালিত মোটাতাজা গরু হাট বাজারে তুলতে শুরু করেছে। জমে উঠেছে জেলার পশু হাটগুলো। গৃহপালিত, খামারে লালিত চোখ জুড়ানো পশু জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

আগামী মঙ্গলবার কুরবানির ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে জেলার খামারগুলোতে পালিত মোটা তাজাকরণ গরু জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে তুলতে শুরু করেছে খামারীরা। কোরবানীর পশু বেচাকেনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের ৫টি উপজেলার পশুরহাট।

জেলা পশুসম্পদ অফিস সুত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জে বাণিজ্যিক ভাবে গরু মোটাতাজাকরণ খামার গড়ে উঠেছে। এসব খামারে পালিত মোটাতাজাকরণ গরু জেলার চাহিদা পূরণ করে ট্রাকে করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ট্রাকে করে এসব গরু বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছে দেশের বড় বড় পশুহাট গুলোতে। দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাপারীরা গোপালগঞ্জের হাট বাজার থেকে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছে। এ বছর পশু খাদ্যের দাম বেশি থাকায় গরু পালনে খরচ পড়েছে বেশি। তাই ব্যাপারীদের দামে সন্তষ্ট হতে পারছেনা খামারীরা।

গোপালগঞ্জ পশুহাটগুলোতে এবার গরু ছাগলের বেশি আমদানি হয়েছে। বড় সাইজের গরুর চেয়ে মাঝারী সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। দামও মোটামুটি ভালো পাচ্ছে বলে খামারীরা জানিয়েছে। তবে জেলার হাটগুলোতে বড় গরুর চাহিদা কম। কোরবানীর পশুতে জেলার বৃহত্তম পশুরহাট গোহাটা কালিবাড়ী পশুরহাটে গত কয়েক হাটে গরু ছাগলের উপচেপড়া ভিড় ছিল। বেচাকেনাও চলছে ভালো। গতকাল শুক্রবার জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এ হাটে পশু আমদানি হয়। হাটে জায়গা না হওয়ায় রাস্তার উপরও বেচা কেনা হয়। এতে রাস্তায় ব্যাপক যানজটেরও সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে হাট কর্তৃপক্ষ জানায়। আগামী সোমবার পর্যন্ত এ পশুরহাট চলবে।

অপরদিকে ঈদের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত প্রতিদিন এ হাট বসবে বলে আয়োজককারী সুত্রে জানা যায়। কিন্ত সবচেয়ে বড় হাট বসবে সোমবারে। কোরবানীর পূর্ব মুহূর্তে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা চলবে রাত পর্যন্ত। গরু ছাগল বেচাকেনায় যাতে কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয় সেদিকে প্রশাসনসহ হাট কর্তৃপক্ষ নজর রাখছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও বিভিন্ন ধরনের সুযোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হাট মালিকরা।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৃহত্তম পশু হাট গোহাটা কালিবাড়ী, নিজড়া, মাঝিগাতী, হরিদাশপুর পশুহাটে ঈদকে সামনে রেখে ৪টি হাটে সবচেয়ে বেশি গরু আমদানি হয়। বেচাকেনাও হয় প্রচুর। হাট মালিক আবু বক্কর জানান, এ বছর গরুর আমদানি বেশি হচ্ছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের সুযোগ সুবিধাও তারা দিচ্ছেন বলে জানান। ঈদের পূর্ব মুহূর্তে গোপালগঞ্জের পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে। ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের গরুতে মুখরিত জেলার ৫টি উপজেলার পশুর হাটগুলো। চাঁদরাত্র পর্যন্ত চলবে এ বেচাকেনা। ভারতীয় গরু এ জেলায় না আসলে গরুর ভালো দাম পাবে খামারীরা।
শুক্রবার ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ইং