শুক্রবার  ২৭শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং  |   শুক্রবার  ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ৯ মাস পর বেরিয়ে আসছে রহস্য : মায়ের অভিযোগ

জুন ৩০, ২০১৬

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কালিগঞ্জ বাজার এলাকার কথিত ডাক্তার বিধান চন্দ্র বালার প্রথম স্ত্রী মায়া রানী নিজ মেয়ে ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী মিতা আত্মহত্যার বর্ননা দেন দীর্ঘ ৯ মাস পর। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মায়া তার নিজ বাড়ীতে বসে সাংবাদিকদের সামনে কেঁেদ কেঁদে তার স্বামীর কু-কৃর্তির বর্ননা দেন।

তিনি এ সময় বলেন, ২০১৫ সালের ১৩ই অক্টোবর আমার বড় মেয়ে মিতা কলাবাড়ীয়া রাধাকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী ছিল। তার বাবা অর্থাৎ আমার স্বামী বিধান চন্দ্র বালা একই এলাকার ¯েœহ নামের এক মহিলার সঙ্গে ঘরের ভিতর আপত্তিকর অবস্থায় বড় মেয়ে মিতা তার বাবাকে দেখতে পায়। পরে মিতা আমাকে বাড়ীতে এসে সব ঘটনা খুলে বলে। আমি আমার স্বামী বিধান চন্দ্র বালা বাড়ী আসলে তার কাছে ঘটনা জানতে চাইলে আমার স্বামী আমাকে ও আমার বড় মেয়ে মিতাকে গাল মন্দ ও বেধড়ক মারপিট করে। পরে আমার স্কুল পড়–য়া মেয়ে পিতার কুকর্ম এলাকায় জানাজানি হওয়ায় ভয়ে লজ্জায় মুখ দেখাবে কি ভাবে সে কারনে আমার মেয়ে মিতা ঘৃনায় নিজে গলায় ওরনা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি এ সময় আরো জানান, গত মঙ্গলবার সকালের দিকে আমার স্বামী বিধান চন্দ্র বালা আমাকে ও আমার শিশু মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আমাদের উপর যে কোন সময় হামলা করতে পারে আমাদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মহিলা ¯েœহ সাংবাদিকদের জানান, আমার সঙ্গে বিধান চন্দ্র বালার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তবে তার মেয়ে মিতা কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তা আমি জানিনা।

এ দিকে মৃত মিতার বাবা বিধান চন্দ্র বালাও ¯েœহর সাথে অবৈধ সর্ম্পকের কথা স্বীকার করে বলেন, আমার মেয়ে কি কারনে আত্মহত্যা করে ছিল তা আমার জানা নেই। তবে ¯েœহর সাথে আমার প্রেমের একটা বিষয় রয়েছে।
উল্লেখ কথিত ডাক্তার বিধান চন্দ্র বালা পরে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া প্রায় ৪৫ দিন আগে একই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী শান্তি কে বিবাহ করে বর্তমানে ঘর সংসার করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

এম শিমুল খান,গোপালগঞ্জ -৩০শে জুন, ২০১৬ ইং