শুক্রবার  ২৭শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং  |   শুক্রবার  ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আগস্ট ১, ২০১৬

বন্যা পরিস্থিতি

মোঃ নুরে শাহী আলম (লাবলু)/

গাইবান্ধা জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের সিংড়িয়ার রতনপুর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়নের সিংড়িয়া পয়েন্টে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় বন্যার পানির তোড়ে বাঁধটি ভেঙ্গে গেছে। হঠাৎ করে বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ায় রতনপুর গ্রামের অনেক মানুষের বাড়ির মূল্যবান জিনিসপত্র ও মজুদ ধান-চাল বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া, উদাখালি, উড়িয়া এবং সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ও বোয়ালি ইউনিয়নের বিস্তৃত এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে এসব এলাকার ৫০ হাজার মানুষ এখন নতুন করে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার অধিকাংশ বাড়ি-ঘর হাঁটু পানিতে নিমজ্জিত। এছাড়া এসব এলাকার রোপা আমন, আমন বীজতলা, পাট, শাক সব্জি পানিতে তলিয়ে গেছে।

এদিকে বন্যার পানির তোড়ে ফুলছড়ি উপজেলার চন্দ্রনস্বর গুচ্ছ গ্রামটি নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে বন্যা কবলিত গৃহহীন পরিবারগুলো ফুলছড়ি উপজেলা হাইস্কুল মাঠে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।বাঁধ ভাঙ্গা বন্যার পানির তোড়ে রতনপুর-বাদিয়াখালি সড়কের হাজিরহাট সংলগ্ন ব্রীজটি ভেঙ্গে গেছে। এছাড়া কাতলামারি, সিংড়িয়া, উদাখালী, গুণভরি সড়ক পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার সাথে গ্রামের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের পৌর এলাকার কুটিপাড়া, ডেভিডকোম্পানীপাড়া ও গোদারহাটের ৮টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বাঁধ দিয়ে এখনও পানি চোয়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং লোকজন বাঁধ পাহারা দিচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি/ সোমবার ১লা আগস্ট, ২০১৬ ইং / ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ