বৃহস্পতিবার  ২৬শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং  |   বৃহস্পতিবার  ১৩ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

কেশবপুরে দুই মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় থানায় মামলা

জুলাই ২৫, ২০১৬

২ ছাত্রী ধর্ষন

এ এম রাকিব/
যশোরের কেশবপুরে দু মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা মঈন উদ্দিন সরদার বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার নম্বর-১৮। মামলা হলেও থানা পুলিশ ধর্ষকদের আটক করতে পারেনি ।

গত ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে কম্পিউটার প্রশিক্ষনের কথা বলে বরনডালি দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেনীর দুই ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসা সংলগ্ন বাড়ির ২য় তলায় যায় একই মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনীর দু ছাত্র বরণডালি গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে ইব্রাহীম হোসেন ও আজগর আলী দফাদারের ছেলে আমিনুর রহমান।মাদ্রাসার পাশের এ বাড়ির দুটি কক্ষে ইব্রাহীম হোসেন ও আমিনুর রহমান তাদের আটকে রেখে যৌন নির্যাতন চালায়।সন্ধ্যায় বাড়ি না আসায় এক ছাত্রীর পিতা বিষয়টি মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী আজগার আলী সরদার ওরফে ভুট্টকে জানালে রাত ৯ টার দিকে নির্যাতিতাদের রক্তাক্ত ও অসুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। তিনি নির্যাতনকারি ধর্ষকদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষকরা এলাকায় প্রভাবশালী। নির্যাতনের শিকার অপর এক জনের পিতা বলেন, মাদ্রাসা থেকে মেয়ে ছুটি চাইলেও তাকে জানানোর কথা। অথচ মেয়ে ২টির বইও মাদ্রাসায় পড়ে থাকল অথচ সুপার (ভারঃ) তার খবর নিলেন না। তিনি আরও বলেন, যশোর হাসপাতাল চিকিৎসাধীন তার মেয়ের পাশে রয়েছেন নিকটাত্মীয় মাষ্টার আব্দুল মোমিন। সেখান থেকে ডাক্তারি সনদ আসলেই মামলা করবেন।

শনিবার দুপুরে নির্যাতীতার পিতা উপজেলার বরণডালি গ্রামের মঈন উদ্দিন সরদার তার কন্যাকে জোর পুর্বক অপহরণ করে আটকিয়ে রেখে ধর্ষণ করে বলে উল্লেখ করেছেন। মামলার আসামিরা হলো বরণডালি গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে ইব্রাহীম হোসেন, আজগর আলী দফাদারের ছেলে আমিনুর রহমান, শফিউর রহমান খার ছেলে ফয়সাল হোসেন, মৃত গহর আলী সানার ছেলে আজগর আলী ভুট্টো ও জমির উদ্দিন গাজীর ছেলে মফিজুল ইসলাম।

থানা পুলিশ জানায় এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামি আটকে চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
যশোর প্রতিনিধি/ ২৫শে জুলাই, ২০১৬ ইং