সোমবার  ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং  |   সোমবার  ৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

স্মার্টফোন কেনার আগে স্মার্ট ভাবনা!

জুন ৩০, ২০১৬

smartphone

স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়টা নিশ্চিত করা জরুরি সেটা হলো, এই যন্ত্র আপনার প্রয়োজন মেটাতে পারবে কি না। আপনার চাহিদা কী, তা আগেই ঠিক করে নিন। সে অনুযায়ী একটা তালিকা করুন। নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে পারেন। তারপর বাজারে গিয়ে মিলিয়ে দেখুন নকশা আপনার রুচির সঙ্গে যায় কি না।
যেহেতু প্রতিদিন কিংবা প্রতি মাসে কেনা সম্ভব নয়, তাই স্মার্টফোন কেনার আগে নিচের বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখুন।

নেটওয়ার্ক- স্মার্টফোন কেনার আগে দেখে নিন সেটা অন্তত থ্রিজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে কি না। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ এবং ভিডিও কলের জন্য থ্রিজি থাকা জরুরি।

আকার- এক হাতে কোনো স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হলে তার আকার যতটা সম্ভব ছোট হওয়া ভালো। অন্যদিকে বড় পর্দার স্মার্টফোনের আকার এমনিতেই কিছুটা বড় হয়ে থাকে।

পর্দা- রেজ্যুলেশন, পর্দার আকার, নিরাপত্তা এবং পর্দার ধরন—এ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। বর্তমানে বড় পর্দার স্মার্টফোনের প্রতি তরুণদের একটা ঝোঁক দেখা যায়। ভালো মানের ভিডিও দেখতে হলে কমপক্ষে এইচডি (প্রস্থে ৭২০ পিক্সেল) হতে হবে।

অপারেটিং সিস্টেম- স্মার্টফোনের মধ্যে পার্থক্য তৈরিতে এই একটি উপাদানই যথেষ্ট। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে অনেক স্মার্টফোন থেকে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে। বিভিন্ন দামের স্মার্টফোন পাওয়া যায়। আর অ্যাপও পাওয়া যায় অনেক বেশি। আইফোনে সাধারণত সব ভালো প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ সবার আগে পাওয়া যায়।
প্রসেসর- স্মার্টফোনে আপনি কী ধরনের কাজ করেন, তার ওপর ঠিক করে প্রসেসরের কথা ভাবতে হবে। খুব ভালো গেম বা অ্যাপ চালাতে দরকার ভালো প্রসেসর। একসঙ্গে অনেক কাজ বা মাল্টি-টাস্কিংয়ের জন্যও ভালো মানের প্রসেসর গুরুত্বপূর্ণ।

মেমোরি- অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড যোগ করার সুযোগ থাকলে তা কতটুকু, তা জেনে নিন। আর যদি সে সুযোগ না থাকে, তবে ইন্টারনাল মেমোরি যেন বেশি হয়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

ক্যামেরা- বর্তমানে সেলফি তোলার প্রতি মানুষের একটা ঝোঁক রয়েছে। আর তাই সামনের ক্যামেরাটা ভালো মানের হওয়া চাই। কম আলোতে যাতে ভালো ছবি তোলা যায় অর্থাৎ অ্যাপারচার কম কিনা তা দেখে নিন।

ব্যাটারি- দীর্ঘক্ষণ চলার জন্য বেশি মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি কিনতে হবে।

নকশা- স্মার্টফোন এখন ফ্যাশনেরও অনুষঙ্গ। তাই ভালো নকশার স্মার্টফোন একদিকে যেমন স্টাইলিশ, অন্যদিকে কাজেও বেশ।

অনুষঙ্গ- সব স্মার্টফোনের সঙ্গেই প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ দেওয়া হয়। তবে অতিরিক্ত কিছু যেমন কার চার্জিং, ব্লুটুথ, হেডসেট ইত্যাদি প্রয়োজন হলে কেনার সুযোগ আছে কি না, তা দেখে নিতে পারেন।

বিক্রয়োত্তর সেবা- বিক্রয়োত্তর সেবার মেয়াদ বেশি হওয়াটা জরুরি। এতে দীর্ঘদিন আপনার ফোনের সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বিনা মূল্যে। স্যামসাং স্মার্টফোনে ১ বছর, এমনকি ব্যাটারির জন্যও ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে স্মার্টফোনের যেকোনো অনুষঙ্গ, যেমন লেভেল ইউপ্রো ও গিয়ার ভিআরে থাকছে ৩ মাসের বিক্রয়োত্তর সেবা। তবে যে নির্মাতার স্মার্টফোনই কেনেন, তা অনুমোদিত দোকান থেকে কেনা ভালো। সূত্র- প্রথম আলো।

ই বাংলা পত্রিকা/ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক- ০৬/৩০/২০১৬