শুক্রবার  ২৮শে জুলাই, ২০১৭ ইং  |   শুক্রবার  ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

রাণীনগর বাসীদের ভোগান্তির বিদ্যুৎ

সেপ্টেম্বর ২, ২০১৬

রাণীনগর বাসীদের ভোগান্তির বিদ্যুৎ

|| তানভীর আহম্মেদ ||

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে তা সবাই জানে ও মানে । কারণ একসময় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ছিলো ৪৮০০ মেগাওয়াট। বর্তমান সেই উৎপাদন ক্ষমতা ১০০০০ মেগাওয়াটে উন্নতি হয়েছে । যদিও উৎপাদন হয় সর্বোচ্চ ৮০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ।আমি বলবো এটি আমাদের জন্য এক মাইলফলক । করণ মাত্র ৭ বছরে ৪০০০ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ  উৎপাদন করা এতো সহজ কাজ না।যা বর্তমান সরকারের সময় সম্ভব হয়েছে ।এর সুফল সমগ্র বাংলাদেশ পাওয়ার কথা ।

কিন্তু দুঃখজনক সত্য এই সুবিধা সকলে ভোগ করতে পারছেনা ।বিশেষভাবে গ্রাম এলাকায় ।আর এর মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত আমাদের রাণীনগর উপজেলা ।এই উপজেলার লোকজন লোডশেডিং অতিষ্ঠ্য ।কারণ বর্তমান এই এলাকায় ২৪ ঘন্টায় ১০ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে ।যা এই এলাকার লোকদের ২০০৯ সালের পূর্বের কথা মনে করাচ্ছে। আসলে এই এলাকার লোকদের দোষ কি? কেনো আমরা অবহেলিত ?এই উপজেলায় তো খুব বেশি বিদ্যুৎ দরকার হয় না ।

সর্বোচ্চ ৫ মেগাওয়াট হলেই এই উপজেলার চাহিদা পুরণ হয়।সেখানে বরাদ্দ থাকে ৩ থেকে ৩.৫ মেগাওয়াট।কেনো এমন পার্থক্য ? চাহিদার তুলনায় কেনো এতো কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় এই এলাকায় ?এর সাথে আর একটি মজার ঘটনা যুক্ত ।যা আমাদের এই দুর্দশার কারন।আর তা হলো আমার জানা মতে আমাদের রাণীনগর ফিডারের সুইস সরাসরি ঢাকা থেকে অপারেট করা যায় ।

যার মানে যখন বিদ্যুতের পিক আওতায় চলে তখন চাহিদা মিটানোর জন্য আমাদেরকেই বলির পাঠা বানানো হয়। তখন নওগাঁ থেকে ইচ্ছে করলেও বিদ্যুৎ দিতে পারে না ।আর একটি হাস্যকর ঘটনা ঘটে এই এলাকার লোকদের সাথে ।তা হলো আকাশে মেঘ দেখা দেয়ার সাথে সাথে এই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় না ।

ঝড় হলে তো কথায় নেই কখন বিদ্যুৎ আসবে তা তখন কেউ বলতে পারে না।কিন্তু শুধু বৃষ্টি হলেও ১০ থেকে ১২ ঘন্টা আর বিদ্যুৎ আসে না । বিদ্যুৎ অফিসের লোকেরা কি মনে করে তা আমার জানা নেই ? তবে তারা যে আমাদের সচেতন নাগরিক মনে করেনা তা বুঝতে কষ্ট হয় না।সর্বোপরি আমার চাহিদা হলো রাণীনগর বাসীদের সঠিক মূল্যায়ন করা হোক ।এবং আমাদের চাহিদা মতাবেক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হোক।

ই-বাংলা পত্রিকা/বৃহস্পতিবার-১লা সেপ্টেম্বর,২০১৬ ইং