বুধবার  ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং  |   বুধবার  ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদ স্থায়ীকরণের দাবি যৌক্তিক: শিল্পমন্ত্রী

মে ২২, ২০১৬

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অস্থায়ীভাবে দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদে নিয়োগকৃতদের চাকুরি স্থায়ীকরণের দাবি যৌক্তিক। তাই এ দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করব। তবে এ পদে কর্মরতদের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে বলে জানান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু্।

রোবাবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারি কল্যাণ সমিতি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদ স্থায়ীকরণের দাবি যৌক্তিক। এ দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করা হবে। তবে এখনই এটি পূরণ করতে হবে -এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। এ দাবি নিয়ে কোনো ধরনের অস্থিরতা কিংবা অপ্রত্যাশিত কার্যক্রম যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারি কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাধন কান্ত বাড়ই এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় অন্যদের মধ্যে সাংসদ অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন, নজরুল ইসলাম বাবু এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সৃষ্ট ৩৭ হাজার দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদ জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়। এ পদে কর্মরত কিছু কর্মচারি নিয়মিত বেতন পাচ্ছে না বলে তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগকৃত দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদ স্থায়ী করলে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা উল্লেখ করেন।

এসময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, কারো দাবির প্রেক্ষিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্রণোদিত হয়ে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পদ সৃষ্টি করেছেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এসব কর্মচারিদের কাম্য আচরণ বজায় রাখার পরামর্শ দেন। এসব পদ জাতীয়করণ করলে, তা হবে প্রধানমন্ত্রী বদান্যতা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপর ৪০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছিলেন। তাঁরই নীতির আলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মেয়াদে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছেন। অন্য কোনো সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে এখন একজন লোকও না খেয়ে নেই। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে বলেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরি-কাম-প্রহরী পদ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে এ পদে কর্মরতদের বেতন ৭ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা হয়েছে।