মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং  |   মঙ্গলবার  ১১ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এইমাএ পাওয়া

আর্থিক সহায়তা চাইলেন সুরকার ও সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দ

জুলাই ২৮, ২০১৬

লাকী আখন্দ

চিরসবুজ বাংলা আধুনিক গানের কথা বলার আগেই বলতে হয় সুরকার ও সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দের নাম। এই নীল মণিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘আগে যদি জানতাম’, ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’- এ রকম অসংখ্য জনপ্রিয় গানের সুরকার ও সংগীত পরিচালক বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দ।

দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থতায় ভুগছেন। ব্যাংকক থেকে চিকিতসা শেষে দেশে ফেরার পর আবারও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এখন তাকে রাজধানীর শাহবাগের বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা যায়। গুণী এই শিল্পীর চিকিৎসায় আর্থিক সঙ্কট চরমে উঠেছে বলে জানা যায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক সহায়তা নিতে অস্বীকৃতি জানালেও বর্তমান পরিস্থিতিতে লাকী আখন্দ নিজেই তার ভক্ত ও সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন।

বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে লাকী আখন্দ নিজেই এ সহায়তা চান। তিনি বলেন, ‘সরকারের সহযোগিতা পেলে ভালো হয়। আমি আমার ভক্ত ও সরকারের কাছে চিকিৎসা সহায়তা চাইছি।’

বাবার অসুস্থতা প্রসঙ্গে মেয়ে মাম্মিন্তি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বাবার শরীরের অবস্থা খুবই খারাপ। বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে গুণী এই শিল্পীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেমোথেরাপির ফলে মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছিলেন তিনি। ছ’মাসের চিকিত্সা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে গত ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন লাকী। এরপর বাসায়ই সময় কাটছিল তার। কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতিও হয়েছিল। এ বছরের জুনে লাকী আখন্দের ফের ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যান্সারে আক্রান্ত লাকীকে সেখানকার হাসপাতালে গিয়ে আরো পাঁচটি কেমো নেওয়ার কথা। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, মূলত আর্থিক সঙ্কটেই চিকিৎসা থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন তিনি।

লাকী আখন্দকে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর জন্য যোগাযোগের ঠিকানা :
ডাচ বাংলা ব্যাংক : অ্যাকাউন্ট নম্বর : ১৬২.১০১.১৩৭৩৫৯
উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড : অ্যাকাউন্ট নম্বর : এস বি ১৪৭৬
ব্যাংকক ব্যাংক, থাইল্যান্ড : অ্যাকাউন্ট নম্বর: ১১৩.৪.৯১৮৬৮.৭

সঙ্গীতাঙ্গনে আমরা আমাদের গুণীজনদের যথাযথ মূল্যায়ন করিনি কিংবা করতে শিখিনি। আসুন সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আমরা আমাদের কিংবদন্তীদের হারিয়ে যেতে দেবো না কোনদিন। আমরা যেন আমাদের অবজ্ঞা ও অবহেলায় হীরের টুকরোগুলোকে কালের গর্ভে হারিয়ে না ফেলি।।
(কপি)সংগ্রহ/ ২৮শে জুলাই, ২০১৬ ইং